অসতী স্ত্রী


অসতী স্ত্রী

আর কুমারী কন্যা ভেবে তাকে
নিয়ে গিয়েছিলাম নদীর ধারে
অথচ সেই মেয়ের ছিল স্বামী।

সান্তিয়াগোর রাত ছিল সেই দিন
আর ছিল প্রায় অঙ্গীকারের দায়।
নিভে গিয়েছিল পথের বাতি
জোনাকিরাও উঠল জ্বলে জ্বলে।
রাস্তার শেষ মোড়ের কাছে গিয়ে
ছুঁয়ে দিলাম ঘুমন্ত তার স্তন
আমার জন্য বেরিয়ে এল তারা
ঠিক কচুরিপানা ফুলের মতো।
সেই মেয়েটির পেটিকোটের মাড়
বেজে উঠল আমার দুটি কানে,
যেন বা একপ্রস্ত রেশম কাপড়
দশটি ছুরি করল ফালিফালি।
যাদের শীর্ষে নেই রুপালি আলো
দীর্ঘতর হলো সে গাছগুলো,
আর কুকুরের দূর দিগন্তরেখা
গর্জাল ওই নদীর উপকূলে।

পেরিয়ে গিয়ে কাঁটাগাছের ঝোপ
বেতগাছ আর নলখাগড়ার ঝাড়,
সেই মেয়েটির ঘন কেশরতলে
পলিমাটির ওপর গর্ত খুঁড়ি।
আমি খুলে ফেলি আমার টাই।
সেই মেয়েটি বস্ত্র খোলে তার।
খুলি আমার বেল্ট রিভলভার।
সে খোলে তার চার অন্তর্বাস।
সিন্ধুশামুক নয়, গোলাপও নয়
ত্বক সে মেয়ের এমনই ঝকঝকে,
তেমন স্ফটিক নেই যা চন্দ্রাতপে
ঝকমকিয়ে ওঠে এমনতর।
আধখানি যার আগুন দিয়ে ভরা,
তীব্র হিমে বাকি আর আধখানি,
চমকলাগা তেমন মাছের মতো
আমার থেকে ফসকাল তার ঊরু।
কোনো রেকাব এবং লাগাম ছাড়া
কমবয়সী মাদি ঘোড়ায় চেপে
ছুটেছিলাম আমি সে রাত্রিতে
সকল পথের শ্রেষ্ঠতমটিতে
পুরুষ আমি, বলব না কক্ষনো
আমাকে যা বলেছে সেই মেয়ে।
অনুভবের আলোকচ্ছটায় আমি
চুপ থেকেছি বুদ্ধিমানের মতো।
নদীর থেকে নিয়ে এলাম তাকে
বালিতে আর চুমোয় মাখামাখি।
শ্বেতদূর্বার ধারালো বর্শারা
বিঁধছে তখন হাওয়ার গায়ে গায়ে।

জিপসি আমি, ঠিক সে অনুযায়ী
করেছি তার সঙ্গে আচরণ।
খড়ের মতো হলুদ রেশমি বড়
সেলাই-ঝুড়ি দিয়েছিলাম তাকে।
প্রেমে পড়তে চাইনি আমি তার
কারণ স্বামী যদিও তার ছিল
বলল তবু সে কুমারী মেয়ে
যখন তাকে নিচ্ছি নদীর ধারে।
Abyev` : kvgxg gvngy`

  • Digg
  • Del.icio.us
  • StumbleUpon
  • Reddit
  • RSS

0 comments:

Post a Comment